গতকাল সোমবার যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (যবিপ্রবি) ক্যম্পাসে প্রবেশ করে শতাধিক শিক্ষার্থী। প্রবেশের পর ক্যাম্পাসের প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করে বিজয় মিছিল করে তাঁরা। এসময় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা'কে স্বৈরাচার আখ্যা দিয়ে স্লোগান দিতে থাকেন তারা। মিছিলে শিক্ষকদের নিরব ভূমিকার অভিযোগ তুলে ডরমিটরির সম্মুখে মিছিল নিয়ে দালাল মুক্ত ক্যাম্পাস গড়ার ঘোষণা দেয় আন্দোলনকারীরা।
গতকাল (৫ আগস্ট) বিকালে যবিপ্রবির শহীদ মসিযূর রহমান হল, শেখ হাসিনা ছাত্রী হল গেটের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে। এসময় শাখা ছাত্রলীগের নেতাকর্মীদের কক্ষে ভাংচুর করে এবং তাদের আসবাবপত্র হল থেকে বের করে দেয়। শিক্ষার্থীরা ছাত্রলীগের কক্ষে বিভিন্ন মাদকদ্রব্য সেবনের উপকরণ ও কনডম পায়।
শাখা ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক তানভীর ফয়সালের রুম থেকে হাফ ডজন কনডম ও মাদকদ্রব্য সেবনের উপকরণ এবং সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক এস.এম ইকরামুল কবির দ্বীপের রুমেও মদের বোতল, কনডম ও রড-লাঠি পাওয়া গিয়েছে। এছাড়াও শেখ হাসিনা ছাত্রী হলের মূল গেইটের তালা ভেঙ্গে প্রবেশ করে নারী শিক্ষার্থীরা। এসময় সদ্য পদত্যাগ করা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ম্যুরাল ভেঙ্গে দেয় এবং কাঁদা দিয়ে লেপটে দেয়। তবে ছাত্রী হলের কোনো রুমে ঢুকেনি ছাত্রীরা।
এ বিষয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা জানান, একজন ছাত্রলীগ নেতার রুমে কনডমের কি কাজ, হলের রুম কি তাঁর বাক্তিগত সহবাসের জায়গা? তারা এখানে নিয়মিত মাদক সেবন করে, মেয়েদের নিয়ে আসে, তার প্রমাণ আমরা পেয়েছি। আসলে এদের কারোই চরিত্তের ঠিক নেই। এখানে আমরা গাঁজা খাওয়ার জিনিসপত্র সহ অনেক মদের বোতল এবং দেশিও অস্ত্র পেয়েছি। যবিপ্রবিতে এমন কোন ছাত্রলীগ নেতার ঠায় নেই, এদেরকে এখন থেকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করা হল।



.png)
